
অটোরিকশার প্রতিযোগিতায় সিএনজি চালকরা অসহায়।
মোঃ আল আমিন সরকার (বিশেষ) প্রতিনিধি:
রাজধানীর উত্তরা তুরাগের কামারপাড়া ও ধউর বেঁড়ীবাধ এলাকায় সি এন জি চালকদের সাথে আলাপ কালে জানাযায়। শহরের সড়কে দিন দিন বেড়ে চলেছে অটোরিকশার সংখ্যা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক যানবাহন সেবা, যা তৈরি করেছে তীব্র প্রতিযোগিতা। ফলে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন সিএনজি চালকরা।
চালকদের অভিযোগ, আগের মতো যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। একই রাস্তায় অসংখ্য অটোরিকশা চলাচল করায় ভাড়া কমাতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেকেই পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
একজন সিএনজি চালক জানান, “আগে দিনে ১৫০০-২০০০ টাকা আয় করতাম। এখন খরচ বাদ দিয়ে ৫০০-৬০০ টাকাও থাকে না। গ্যাসের দাম, মালিকের জমা—সব মিলে খুব কষ্টে আছি।”
অন্যদিকে যাত্রীরা বলছেন, যানবাহনের সংখ্যা বাড়ায় তারা সহজে গাড়ি পাচ্ছেন এবং ভাড়াও তুলনামূলক কমেছে। তবে এতে চালকদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং চালকদের ন্যায্য আয়ের নিশ্চয়তা দিতে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। অটোরিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ভাড়া কাঠামো নির্ধারণ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
এ অবস্থায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সিএনজি চালকরা, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।